ভোলায় সেচ্ছাসেবক দলের কর্মীর মৃত্যু এবং নূরে আলমসহ আহতদের সুস্থতা কামানায় বিএনপির দোয়া-মোনাজাত।

0
11

ভোলায় সেচ্ছাসেবক দলের কর্মীর মৃত্যু এবং নূরে আলমসহ আহতদের সুস্থতা কামানায় বিএনপির দোয়া-মোনাজাত

আশিকুর রহমান শান্ত
ভোলা প্রতিনিধি

পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষের ঘটনায় সেচ্চাসেবক দলের নেতা নিহত আঃ রহিম মাতব্বরের রুহের মাগফেরাত কামনায় এবং ভোলা জেলা ছাত্রদলের সভাপতি নুরে আলমের সুস্থতা কামনায় ভোলা জেলা বিএনপির আয়োজনে ভোলায় দোয়া-মোনাজাতের অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ আগষ্ট) বিকালে জেলা বিএনপি কার্যালয় এ দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। ভোলা জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব গোলাম নবী আলমগীরের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন, ভোলা জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ইয়ারুল আলম লিটন, কবির হোসেন, জেলা সেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি রবিন চৌধুরি, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক জাকির হোসেন রুবেল, সাংগঠনিক সম্পাদক আকবর আকন, যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মনির হোসেন, ভোলা সদর উপজেলার যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব জাকির হোসেন সবুজ, ভোলা সদর উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আওলাদ হোসেন বাহার, ভোলা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি মাকসুদুর রহমান হিরন, হাফিজুর রহমান তসলিম, ভোলা সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ইব্রাহিম, সদস্য সচিব ইয়াকুব শাহ জুয়েল, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক রনি, সদস্য সচিব মাইনুদ্দিন হাওলাদার, যুগ্ম আহ্বায়ক মনজুর আলম , রিপন শেখ, সোহাগসহ যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিএনপি অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

দোয়া মোনাজাতের আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে ভোলা জেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম নবী আলমগীর বলেন, পুলিশ বিনা কারনে বিএনপি নেতাকর্মীদেন উপর হামলা চালিয়েছে। এমন ঘটনা অতিতে কোনদিন ঘটেনি। আমরা এ ঘটনার বিচার চাঁই। তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। সঞ্চালনায় ছিলেন ভোলা জেলা বিএনপি’র যুগ্ম সম্পাদক কবির হোসেন । এর আগে সকালে জেলা বিএনপির বিক্ষোভ কর্মসূচী থাকালেও তা হয়নি। পুলিশের মামলায় গ্রেপ্তার এড়াতে দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত না থাকায় সভাটি বাতিল করা হয়েছে বলে জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, রোবাবার কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসাবে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ বের করে জেলা বিএনপি। মিছিলে বাঁধা দেয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশের সাথে বিএনপি নেতাকর্মীদের ঘন্টাব্যাপি সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য আঃ রহিম মারা যায়। এছাড়াও বিএনপির গুলিবিদ্ধ শতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়। এদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ ছাত্রদলের সভাপতি নুরে আলমের অবস্থা সংকটাপন্ন। তাকে ঢাকার একটি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে।

এ ঘটনায় জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান জেলার বিএনপির সভাপতি। পুলিশের পক্ষ থেকে নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামায় ৪ শতাধিক নেতাকর্মীর নামে আলাদা দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছ।

পূর্ববর্তী খবরভোলায় পুলিশের উপর বিএনপি’র হামলার ঘটনায় ৬৭৫ জনকে আসামি করে ২টি মামলা।
পরবর্তী খবরভোলার তজুমদ্দিনে উদ্দেশ্যমূলক ভুল সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ।