প্রচন্ড আর্থিক এবং মানসিক কষ্টে বুকছেন মৃত্যু সেনাসদস্যের বিধবা স্ত্রীগণ।

0
461

ভোলা সময় নিউজ।

নিজস্ব প্রতিনিধি, সার্জেন্ট শফিকুল ইসলাম অবসরপ্রাপ্ত।

স্বামী মৃত্যু বরণ করেছেন কিন্তু বিধবা স্ত্রী ৩/৪ বছরেও পারিবারিক ভাতা পাচ্ছেন না।😭

পারিবারীক ভাতা প্রাপ্তি নথিপত্রের কালচক্র-👇

#স্বামীর মৃত্যুর পর পারিবারিক ভাতা প্রাপ্তির সমস্ত কাগজপত্র প্রস্তুত করতঃ স্ব স্ব জেলা সশস্ত্রবাহিনী বোর্ড এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট রেকর্ডে পাঠানো হয়।👇

#রেকর্ডের কার্যক্রোম শেষ করতঃ সংশ্লিষ্ট এফপিও অফিসে পাঠানো হয়। 👇

#এফপিও অফিসের কার্যক্রোম শেষ করতঃ এফসি (আর্মি) পে-২ তে পাঠানো হয় চূড়ান্ত অডিটের জন্য। 👇

#এফসি (আর্মি) পে-২ সমস্ত কার্যক্রোম শেষ করে পুনরায় সংশ্লিষ্ট এফপিও অফিসে পাঠিয়ে দেন। 👇

#এফপিও অফিস সেই কাগজপত্র পুনরায় রেকর্ডে পাঠিয়ে দেন রেকর্ড কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম শেষ করতঃ আবার সংশ্লিষ্ট এফপিও অফিসে পাঠিয়ে দেন। এই কাগজপত্র এপিও অফিস এবং রেকর্ডে অনেকবার চক্কর কাটতে কাটতে সর্বশেষ এফপিও অফিসে গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ব্যাংক একাউন্টে চেকসহ নথিপত্র পাঠিয়ে দিলেই ব্যক্তি তার সমুদয় সুযোগ সুবিধা ভোগ করতে পারেন।

কিন্তু এই গোটা প্রক্রিয়া শেষ করতে অনেকের ৩/৪ বছর সময় লাগছে 😩। এ-ই দীর্ঘ্য প্রক্রিয়ায় অনেক বিধবা মানবেতর জীবন যাপন করছেন, এবং কোন কোন সুবিধা ভোগী কবরে চলে যাচ্ছেন। তাহলে এই সুবিধার দরকার কি? 😩

আমার উপজেলায় এমন একজনের উদাহরণঃ

সৈনিক মোঃ আলতাফ হোসেন (অব.) ৬ ই-বেঙ্গল হতে অবসর গ্রহণ করতঃ গত ২৩/০৯/২০১৮ ইং তারিখে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেন। স্বামীর মৃত্যর পর বিধবা স্ত্রী তার পারিবারিক ভাতা প্রাপ্তির আনুসাংগীক কাগজপত্র প্রস্তুত করতঃ অক্টোবর’২০১৮ মাসে রংপুর সোলজার বোর্ডের মাধ্যমে রেকর্ড ওআইসি বরাবর প্রেরণ করেন।

দীর্ঘ্যদিন পর গত নভেম্বর’২০২০ মাসে রেকর্ড কর্তৃক উক্ত বিধবা স্ত্রীর নামে ইএফটি ফরম প্রস্তুত করতঃ স্বাক্ষরের জন্য উক্ত বিধবা স্ত্রীর ঠিকানায় প্রেরণ করা হয়। বিধবা স্ত্রী উক্ত ইএফটি ফরমে স্বাক্ষরান্তে চাহিত আনুসাংগীক নথিপত্রসহ রেকর্ডে প্রেরণ করেন। কিন্তু অধ্যাবদি সেই বিধবা স্ত্রী তার পারিবারিক ভাতা পাননি।

মৃত সৈনিক আলতাফ হোসেন (অব.) এর চার কন্যা সন্তান। তার মধ্যে দুই কন্যা সন্তানের বিবাহ তিনি তার জীবদ্দশায় সম্পন্ন করে গিয়েছেন। বাকী দুই অবিবাহিতা কন্যা সন্তানকে নিয়ে উক্ত বিধবা প্রচণ্ড মানবেতর জীবন-যাপন করছেন।

এই রকম আরো অনেকেই রয়েছেন।

আমাদের দাবীঃ

উপরে বর্ণিত প্রক্রিয়া যতদ্রুত সম্ভব সর্বোচ্চ ৩ মাসের মধ্যে শেষ করতঃ ভুক্তভোগীকে তার প্রাপ্য সুবিধা প্রদানের ব্যাবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করা হল। 🙏🙏🙏

পূর্ববর্তী খবরভোলার বাংলাবাজারে জোরপূর্বক জমি দখল করে দেয়াল নির্মাণ।
পরবর্তী খবরভোলা মনপুরায় রেড ক্রিসেন্টের পক্ষ থেকে ঘূর্ণিঝড় ইয়াশ এর ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ।