পশ্চিম ইলিশায় এক শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ।

0
101

পশ্চিম ইলিশায় এক শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ,

স্টাফ রিপোর্টার।

ভোলা সদর উপজেলার পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডে দশম শ্রেণীতে পড়ুয়া এক স্কুল ছাত্র কে পিটিয়ে রক্তাক্ত করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালী সিরাজ হাওলাদার ওরুপে ওই এলাকার জামাই সিরাজের বিরুদ্ধে।

বর্তমানে আহত কামরুল হাসান ভোলা সদর হাসপাতালে পুরুষ সার্জারি ওয়ার্ডের ৩৬নং বেডে চিকিৎসাধীন।

গত রবিবার দুপুরে পশ্চিম ইলিশা ৩নং ওয়ার্ডের গোলদার বাড়ী সংলগ্ম এই ঘটনা ঘটে।

ঘটনাসূত্রে জানা যায়, পশ্চিম ইলিশা গোলদার বাড়ী জামে মসজিদের খতিব মৌলভী এরশাদ এর ছেলে দশম শ্রেণীতে পড়ুয়া ছাত্র মোঃ কামরুল হাসানের সাথে পূর্ব ইলিশা হাওলাদার বাড়ীর সেকান্দর আলী হাওলাদার এর ছেলে ও কালু গোলদার বাড়ীর মোহাম্মদ আলী গোলদার এর জামাই সিরাজের বাড়ীর সামনে দিয়ে কামরুল হাসান প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় পিছন থেকে সিরাজের ছেলে হঠাৎ ইট দিয়ে আঘাত করেন, কামরুল হাসান সিরাজের ছেলে কে জিজ্ঞেস করেন কেনো ইট মেরেছে? কামরুল হাসানের উত্তর না দিয়ে সিরাজের ছেলে দৌড়ে বাড়ীতে গিয়ে তার বাবা মাকে মিথ্যা বলে যে তাকে থাপ্পড় দিয়েছে কামরুল।
ছেলে কথা যাছাই বাছাই না করে সিরাজ উত্তেজিত হয়ে এসে সিরাজের শ্যালকের দোকানের সামনে কামরুল হাসান কে পিটিয়ে আহত করেন, এ সময় কামরুল হাসানের ডাক চিৎকারে দিদার, রনিসহ কয়েকজন যুবক এসে কামরুল কে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেছেন।
এদিকে কামরুল কে পিটিয়ে আহত করার পর কামরুলের পরিবার কে নানা ভাবে হুমকিদামকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সিরাজের বিরুদ্ধে।

স্থানীয়রা জানান, সিরাজ এই এলাকার জামাই, জমি ক্রয় করে আমাদের এলাকায় বসবাস করেন।
এ এলাকায় এমন কোন অপকর্ম নাই যার সাথে সিরাজ জড়িত না, মাঝেমধ্যে ঢাকা থেকে চোরাই গাড়ীর যন্ত্রপাতি এনে এলাকায় বিক্রি করেন, স্থানীয় প্রভাবশালীদের আত্মীয় বলে তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে নারাজ এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সিরাজের সাথে যোগাযোগ করলে সিরাজ জানান, আমি এবার জহির চেয়ারম্যান এর নির্বাচন করেছি আমি এই ছেলে কে আঘাত করে থাকলে তিনিই কিছু টাকা দিয়ে সমাধান করে দিবেন তবে কামরুল কে আঘাত করার কথা স্বীকার করেছেন সিরাজ, তবে সিরাজের বিরুদ্ধে চোরাই মালামাল বিক্রির অভিযোগের কথা অস্বীকার করেছেন তিনি।
এই বিষযে পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম বলেন ঘটনাটি আমি শুনেছি, বিস্তারিত জেনে সমাধান করে দিবো।
ইলিশা ফাঁড়ির ইনচার্জ মোঃ ফরিদ উদ্দিন বলেন, বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমি দেখেছি তবে কেউ লিখিত অভিযোগ করেননি, অভিযোগ করলে আইনগত ব্যবস্থা নিবো।

পূর্ববর্তী খবরভোলার লালমোহনে নিখোঁজের ৭ মাসপর শিশুর মাথার খুলি পাওয়া গেছে।
পরবর্তী খবররুবেল কাজীর বিরুদ্ধে ভোলায় মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান।