অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের দুঃখ কষ্টের জন্য, দায়িত্বে থাকা কর্তৃপক্ষের নিকট আকুল আবেদন।

0
92

দৈনিক ভোলা সময় নিউজ।

বিশেষ প্রতিনিধি: মোঃ নুরে আলম অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য।
অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্রবাহিনীর সদস্যদের দুঃখ কষ্টের জন্য, দায়িত্বে থাকা কতৃপক্ষের নিকট আকুল আবেদন।

বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত অধিকাংশ সেনাসদস্য ও তাহাদের পরিবার মানবতর জীবন জাপন করছেন। বৃটিশ আমল থেকে চলে আসা পারিবারিক রেশনিং ব্যবস্থা বন্ধ করে, পরিবর্তে রেশন মানি দেওয়া হয় ৪১৮ টাকা। ১২ বছর যাবৎ এই টাকা আর বৃদ্ধি করা হয় নাই। অথচ প্রতি বছরই খাদ্য দ্রব্যের দাম বৃদ্ধি হইতেছে।
অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্রবাহিনীর সেনাসদস্যদের শেষ ভরসা পেনশন এবং রেশন। কিন্তিু দুঃখের বিষয় হলোঃ আমরা সামরিক বাহিনীর সদস্যরা বেসামরিক লোকদের তুলনায়, পেনশন অনেক কম পেয়ে থাকি। কোন কোন ক্ষেত্রে অর্ধেক।
আমরা জানি না কোন ফরমূলায় সামরিক বাহিনীর পেনশনের হিসাব করা হয়। একই বেতন স্কেলে চাকরী করে , সামরিক বাহিনীর সদস্যরা বেসামরিক লোকদের তুলনায় অনেক কম পেনশন পেয়ে থাকেন। আমরা জন সমাজের সামনে বলতে পারি না, কত পেনশন পাই।

তাহাছাড়া বেসামরিক লোকদের তুলনায়, সামরিক বাহিনীর সদস্যরা অফিসিয়াল কাজে হয়রানীর স্বীকার হতে হয় অনেক বেশী।

সামরিক বাহিনীর সদস্যরা কাহারো কাছে যে কোন সমস্যা নিয়ে গেলে, আইনী সহায়তা পাওয়ার চেয়ে হয়রানী অথবা অপমানিত হতে হয়। বিশেষ
করে আদার্স OR’s & JCO’s Rank এই শ্রেনীর লোকজন সুযোগ সুবিধার ক্ষেত্রে খুবই নগন্য।

সেনাকল্যান সংস্হা সকলের জন্য এবং সকলেরই অধিকার সমান থাকার কথা, কিন্তুু সেখান থেকে কতজন অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য চাকরি এবং সুবিধা পেয়েছেন?

সৈনিকদের জন্য কোন আবাসনের ব্যবস্হা নাই। সৈনিকের সামাজিক মূল্যবোধ ও নিরাপত্তা নাই।

যে কোন সুযোগ সুবিধার ক্ষেত্রে সৈনিকদেরকে নীর উৎসাহিত করা হয়।

সকল প্রকার সুযোগ সুবিধা ক্ষমতাবান / ক্ষমতাশীলরা নিজেদের মত করে নিয়ে থাকেন।

আমরা সৈনিক শৃঙ্খলা আমাদের পেশাগত এবং নৈতিক শিক্ষা। তাই আমরা অতি দৈর্য্য ধারন করে, আমাদের উপর দায়িত্বশীলদের দিকে তাকিয়ে থাকি।

আমরা দৈয্য ধারন করে অপেক্ষায় থাকি, তার অর্থ এই নয় যে, সৈনিকরা অন্ধ কিছু দেখে না বুঝে না।

আমরা চাই সকলের ইজ্জত সম্মান বজায় থাকুক, কিন্তুু, সৈনিকদেরকে মানুষ হিসাবে গন্য করতে অনিচ্ছুক।

একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য কোন একটি কাগজ পত্র সত্যায়িত করতে গেলেও তাহা করে দেন না। বলে যে তোমার সোলজার বোর্ডের কর্মকর্তা দিয়ে স্বাক্ষর করিয়ে আন। একজন সৈনিক স্বসরীরে হাজির হয়ে, মূল খালাসী বই নিয়ে গেলেও ফেরৎ দিয়ে দেন।

কিন্তুু বেসামরিক লোকদের বেলায়তো আমাদের মত এত হয়রানী হইতে হয় না।

সৈনিকগন এইসব হয়রানীর ভয়ে সামরিক বাহিনীর কোন অফিসে যাইতে অনাগ্রহ প্রকাশ করে। এবং সুযোগ থাকলে ১০০% পেনশন বিক্রি করে দিয়ে আসে।
যে কথ গুলি এখানে উপস্থাপন করা হলো এই কথা গুলি ১০০% সৈনিদেরর একই মত এবং একই কথা।

আমরা বহুদিন যাবৎ রেশনের টাকার বিষয়ে বলে আসছি, কিন্তুু কতৃপক্ষ কর্নপাত করেন না।

কত পরিবার যে কষ্টে আছে, তাহার খবর কে রাখে?

আমরা শৃঙ্খলা চাই, সামাজিক মূল্যবোধ ও মর্যাদা এবং অর্থনৈতিক মুক্তি চাই। আমরা আমাদের ন্যায্য অধিকার চাই।

অতএব, কতৃপক্ষের নিকট আকুল আবেদন এই য, সবিনয়ের সাথে অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যদের প্রতি সদয় দৃষ্টি দানে, আমাদের সমস্যা গুলির সমাধানে আমরা কতৃপক্ষের নিকট চীর কৃতজ্ঞ থাকিব।
আশাকরি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। (কপি-পেস্ট)

পক্ষে সকল অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য, cpl rtd MD NURE ALঅবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের কাদের মধ্যেAM,AMC. দ্বীপ জেলা ভোলা, দয়া করে সকল সেনা নৌ বিমান বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ও কর্মরত সদস্যরা লাইক কমেন্ট ও শেয়ার করবেন ইনশাআল্লাহ আল্লাহ পাক সকলের সহায় হউক আমিন,

পূর্ববর্তী খবরবোরহানউদ্দিনে জমি নিয়ে বিরোধের জের সাংবাদিক পরিবারের উপর হামলা।
পরবর্তী খবরভোলার তজুমদ্দিন উপজেলা শিশু পার্ক উদ্বোধন।